মিরু হাসান বাপ্পী
আদমদিঘী (বগুড়া) প্রতিনিধি:

ঈদু ফিতরের আর মাত্র ৪ দিন বাকীঁ। এর মধ্যে আদমদীঘি উপজেলা সদর ও সান্তাহার শহরে মার্কেটগুলোতে জুমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। ক্রেতা-বিক্রিতা কেউ মানছেনা সামাজিক দুরুত্ব। প্রশাসনের লোকজনের তদারুকি না থাকায় ঠিক আগের মত চলছে হাট,বাজার ও দোকানপাট, এবং ট্রেন ছারা চলছে সবধরনের যানবাহন।
লোকডাউন শুরুর পর আদমদীঘি উপজেলা সদর ও সান্তাহার পৌর শহরে দোকানপাটগুলো বন্ধ থাকতে দেখা যায়।

ঈদকে সামনে রেখে এবং দেশের অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে লোকডাউন শিথিল করা হয়। সামাজিক দুরত্ব ও মাস্ক ব্যাহার দোকানের সামনে হাত ধোওয়ার ব্যবস্থাসহ সরকারী আইন মেনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল রাত্রি ৮টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখতে বলা হয়। ফলে সরকারের অঘোষিত লোকডাউন শিথিল এর পর শহরের সোনর বাংলা, উপহার, কক্স্রবাজার, হকমার্কেট সততাসহ শহরের প্রায়সব মার্কেটগুলোতে ঈদের কেনা-কাটা জুমে উঠেছে।

ঈদ মার্কেটে কেনা-কাটা করতে আসা নারী-পুরুষরা কেউ সামাজিক দুরত্ব ও মাস্ক ব্যাহার না করে দোকানে হুমরি খেয়ে কেনা-কাটা করছে।
রমজানের আগে থেকে লকডাউন ঘোষনার পর থেকে শহরের মার্কেট সহ সবধরনের দোকানপাট বন্ধ থাকায় লকডাউন শিথিল হবার পর শহরের সবগুলো মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভির লক্ষ করাগাছে। বিশেষ করে এসব মার্কেটগুলোতে নারীও শিশুদের সংখ্যা বেশী। শহরের সদর পথের তালুকদার বস্ত্রালয়ের মালিক কবির তালুকদার জানান দোকানে ক্রেতাদের ভির আছে কিন্ত প্রত্যাশিত বেচাকেনা নেই। মাত্র ৭দিন সময় পাওয়া যাবে এতে কি রমজানের ৩০ দিনের বেচাকেনা করা সম্ভব।

গত বছরের চেয়ে এবার বেচাঁকেনা কিছুটা কম মনেহচ্ছে। কারন হিসাবে তিনি জানান, করোনাভাইরাসের কারনে ঈদের বাজারে প্রভাব পছে। কক্স্রবাজার মার্কেটের গোলাম মোস্তফা, সোনার বাংলা মার্কেটের নিজাম দেওয়ান বলেন বেচাঁকেনার গতি বেশ ভালো যেভাবে চলছে এভাবে চললে গত বছরের চেয়ে এবার ব্যাবসা ভালো হবে। স্বজল মার্কেটে কেনাকাট নিয়ে কথা হয় সান্তাহার পৌর এলাকার কৃষক ছাহের আলী ও তার স্ত্রী কহিনুরের সাথে তারা জানান, করোনার কারনে এবার ভালো কালেকশান নেই দোকানীদের আগের জামা কাপগের দাম বেশী নি্েচ্ছ। তার পরও এবার ধানের দাম ভালো তাই সমস্যা হচ্ছেনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *