নিজেস্ব প্রতিনিধি:

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে রাতের আধারে দোকানের তালা ভেঙ্গে প্রায় ৬লাখ টাকার আসবাবপত্র চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মোহাম্মদ আলী গত ২৮ জুন আদমদীঘি থানায় সাজ্জাদ (৩৫), জুয়েল (৪২), শাহজাহান (৪০) ও শামিম (৪৫) এই চারজনের নামে একটি এজাহার দায়ের করেন। ঘটনার প্রায় ২০দিন পার হলেও এখনও পর্যন্ত কোন আইনগত পদক্ষেপ নেয়নি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশ। ফলে ভুক্তভোগী সুবিচার পেতে পুলিশের দরজায় কড়া নাড়ছেন।
এজাহার সুত্রে জানা যায়, সান্তাহার পৌর শহরের স্টেশন এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের পিছনে মোহাম্মদ আলীর একটি দোকানের পজিশন নেওয়া ছিলো। যা গত ছয় বছর পূর্বে মৃত ওছমান গণির ছেলে এসএম জুয়েলের কাছ থেকে হস্তান্তর করে নিয়েছিলেন। এরপর থেকে শান্তিপূর্ণভাবে পজিশনটি তার দখলে রেখে ভোগদখল করে আসছিলেন। কিন্তু গত ২৬ জুন রাত ২টায় বিবাদীগণ সান্তাহার পৌর শহরের ৫নং ওয়ার্ডের আব্দুল মান্নানের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন ও শাহজাহান, অজ্ঞাতের ছেলে জুয়েল এবং স্টেশন কলোনির মৃত ইকবালের ছেলে শামীম আক্তার অসৎ উদ্দেশ্যে দোকানের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। তারা দোকানে থাকা ৮০হাজার টাকা মূল্যের একটি এসি, ৯০হাজার মূল্যের দুইটি বক্স খাট, ৬০হাজার টাকা মূল্যের একটি সোফাসেট এবং অন্যান্য ৩লাখ টাকা মূল্যের মালামালসহ সর্বমোট ৫ লাখ ৩০ হাজার আসবাবপত্র দোকান থেকে চুরি করে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী বলেন, আমি পরেরদিন লোক মারফত এ খবর শুনে দোকানে এসে দেখি আমার দেয়া তালা নাই। দোকানে অন্য তালা লাগানো এবং রং করা অবস্থায় আছে। আমি তাৎক্ষণিকভাবে মুঠোফোনে সাজ্জাদের সাথে কথা বললে তিনি ঘটনাটি স্বীকার করে বলে যে, আমার দোকানে আমি ঢুকেছি তুই যা পারিস তাই কর এবং বিভিন্ন প্রকার প্রাণনাশের হুমকি ধামকি প্রদান করে। এতে নিরুপায় হয়ে নিজের নিরাপত্তা ও আইনের সুবিচার পেতে ২৮ জুন আদমদীঘি থানায় একটি এজাহার দায়ের করি। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আরিফুর ইসলাম বলেন, ঘটনার তদন্ত এখনও চলমান আছে।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দীন বলেন, মোহাম্মদ আলী এজাহার দিয়েছেন। সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে এ ঘটনার তদন্ত দেওয়া হয়েছে। দুই-একদিনের মধ্যে দেওয়ার কথা। তদন্ত প্রতিবেদনটি পেলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *