মিরু হাসান বাপ্পী
বগুড়া জেলা প্রতিনিধি:

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ‘এতোদিন রেলের কোনো অভিভাবক ছিলনা, রেলের জন্য কেউ আসেনি। এখন রেলের মালিক বের হয়েছে। রেলের এবং জনগনের যেন লাভ হয় এজন্য আমরা কাজ করছি। বাড়ি ঘেরাওয়ের মতো রেলের সম্পদও ঘেরাও দেয়া হবে। যারা ভাড়া দিতে
চেয়ে এখনো দখল করে আছেন, তারা বকেয়া টাকা দিয়ে হাল নাগাদ হয়ে যান। তা না হলে তাদের উচ্ছেদ করা হবে।’ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার রেল স্টেশনের আধুনিকায়ন কাজের উদ্বোধনের পর আলোচনা সভায় মন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ব্রিটিশ-ভারতের রেলে সেই সময় যে উন্নয়ন হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সময় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক রেলস্টেশন নস্ট হয়ে গেছে, রেল ব্রিজ, রেল
লাইন তুলে ফেলেছে, রেলের অনেক শ্রমিক-কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে। দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পুণরায় সেই রেল চালু করেছেন। ব্রিটিশ আমলে যেটুকু উন্নয়ন আর বঙ্গবন্ধু যেটুকু সংস্কার করেছেন সেটুকুই রয়েছে। মন্ত্রী বলেন, সান্তাহার জংশন এক সময় জাকজমক ছিল। রেল ধ্বংসের জন্য বিএনপি-জামাত চেষ্টা করেছিল। রেল বেসরকারি করনের দিকে চলে গেছিলো। এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
আলাদা মন্ত্রনালয় গঠন করে এই রেলকে একটি টেকসই উন্নয়নের জন্য অন্যান্য পথের সাথে সমান ভাবে দেখছেন। রেলে এখন অনেক উন্নয়ন হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ সান্তাহার জংশনের আধুনিকায়ন কাজের উদ্বোধন করা হলো। রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এড. নুরুল ইসলাম তালুকদার, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম রেজা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) কামরুল আহসান, মন্ত্রীর একান্ত সচিব আতিকুর রহমান, উপ-সচিব (প্রশাসন-৪) মীর আলমগীর হোসেন, সহকারি একান্ত সচিব রাসেদ প্রধান, সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা শরিফুল আলম, ব্যাক্তিগত
কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ, রেজাউল করিম রেজা ও দ্বীপঙ্কর রায়, উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম খান রাজু, রেলওয়ের শ্রমিকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মান্নান ও স্টেশন মাস্টার রেজাউল কমির ডালিম, আরএনবি পরিদর্শক নূর নবী প্রমূখ।

Leave a Reply