মোঃ পাপুল সরকার গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার ১নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের সুলতানপুর বাড়াই পাড়া মচ্ছ নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠ। মচ্ছ নদী ভাঙ্গনে ঈদগাহ মাঠটি রক্ষার্থে আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন। ইতঃপূর্বে ঈদগাহ মাঠটি রক্ষার্থে বাঁশ, জি.ও. ব্যাগ, ব্লক ও বস্তা ভরাট করে নদী ভাঙ্গন রোধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু আর্থিক সঙ্কটের কারণে কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি বলে জানান ঈদগাহ্ মাঠ পরিচালনা কমিটি।
পূর্বে ঈদগাহ্ মাঠটি ০২ (দুই) একর জমি নিয়ে অবস্থিত ছিল। মচ্ছ নদী ভাঙ্গনের ফলে জমির পরিমান দাঁড়িয়েছে মাত্র ০১ (এক) একরে। ঈদগাহ্ মাঠটিতে ১০ টি গ্রামের প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার মুসল্লি একসাথে জামাতের সহিত নামাজ আদায় করতো। জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে ও নদী ভাঙ্গনের কারনে স্বল্প স্থানে এতো মুসল্লি নিয়ে নামাজ আদায় অসম্ভব হয়ে পরেছে।
এলাকাবাসীর ধারণা নদী ভাঙ্গন রোধ করতে প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন। প্রত্যান্ত পল্লী ১নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের ৯৫ শতাংশ গরীব, অসহায় খেটে খাওয়া মানুষ। নিজেদের সংসার চালাতে তারা হিমশিম খায়। এর পরেও নদী ভাঙ্গন রোধ করতে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা দিয়ে কাজটি শুরু করেছিল। এলাকাবাসীর পক্ষে এতো বড় কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। কয়েকটি বে-সরকারী টিভি চ্যানেল, পত্র-পত্রিকা, নিউজ পোর্টাল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ব্যাপকহারে প্রচার প্রচারণা করেও ঈদগাহ্ মাঠটিতে সরকারি তহবিল থেকে এখনও কোনো অনুদান পায়নি বলে জানান মাঠ কর্তৃপক্ষ।
ঈদগাহ্ মাঠটি রক্ষার্থে সরকারী তহবিল, সরকারী বে-সরকারী চাকুরিজীবি, ব্যবসায়ী, প্রবাসী, আর্থিক সহায়তাকারী সংগঠন, উদ্দ্যেক্তা, ফ্রিল্যান্সারসহ সকল শ্রেনীর সর্বস্তরের জনগণের নিকট আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন ১০ টি গ্রামের সাধারণ জনগণ ও ঈদগাহ্ মাঠ কর্তৃপক্ষ। আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা পাঠাতে পারেন বিকাশ, নগদ এবং ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে।
বিকাশ: ০১৩১৫ ১৫ ৮১ ৪৬ (পার্সনাল)
নগদ: ০১৩১৫ ১৫ ৮১ ৪৬ (পার্সনাল)
সোনালী ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার: ৫১১২০০২১১০৪৪১
একাউন্ট হোল্ডার নাম: মাওঃ মোঃ আবু ইউনূছ সাজা (সভাপতি)
ব্র্যাক ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার: ১৯০১১০৪৫৬৬২৩৫০০১
সিটি ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার: ২১০২৯৯৬১১৪০০১
একাউন্ট হোল্ডার নাম: মোঃ হারুন অর রশিদ (মাঠ পরিচালনা কমিটি)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *