সময় সংবাদ বিডি:ইন্দোনেশিয়ায় এক বাবা স্বপ্ন দেখেছিলেন লেখক হবেন। লেখকরা সৃষ্টিশীল হন, তাকেও সৃষ্টিশীল হতে হবে। তিনি নিজের সৃষ্টিশীলতার পরিচয় কীভাবে দিবেন? নিজের সৃষ্টিশীলতার পরিচয় দেওয়ার প্রয়াস থেকেই ছেলের উদ্ভট এক নাম রাখেন। এই নাম দিয়েই তিনি নিজেকে লেখক বানালেন।

প্রচলিত ধারণা হলো একজন লেখক তার ভাষাগত দক্ষতা দিয়ে নতুন কিছু সৃষ্টি করেন। কিন্তু ওই বাবার ধারণা ইংরেজি বর্ণমালার প্রথম ১১টি বর্ণ দিয়ে নামের প্রথম এবং মধ্যম অংশ রাখলে মন্দ হয় না। সেটাই তার লেখক পরিচয়ের সাক্ষ্য দিবে। রাখলেনও তাই। উদ্ভট এই নামটি জানা যায় ১২ বছর বয়সী ওই ছেলে যখন করোনার টিকা দিতে টিকা কেন্দ্রে যায়। ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুমাত্রার মুয়ারা এনিম অফিসে টিকা দিতে গিয়ে ছেলেটি তার পুরো নাম লিখে এবিসিডিইএফ জিএইচআইজেকে জুজ (ABCDEF GHIJK Zuz)। কর্তৃপক্ষ প্রথমে ভেবেছিল ছেলেটি বোধহয় তাদের সঙ্গে মজা করছে। কিন্তু ছেলেটির বাবা নামটি নিশ্চিত করার পর তারা ভাবলেন এটিই বোধহয় পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত নাম।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ছেলের অদ্ভুত এই নাম কেন রাখলেন এবং কীভাবে উৎপত্তি হয়েছে তা জানতে তার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে। তখন তিনি বলেন, তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন একদিন লেখক হবেন। সেই ভাবনা থেকেই সন্তান স্ত্রীর গর্ভে আসার আগেই তিনি এই নাম ভেবে রেখেছিলেন। পরে সন্তান জন্মালে এই নাম রাখেন। নামটি উচ্চারণ এবং শব্দটি কোনো কিছুর সঙ্গে মিলে না দেখে সংক্ষিপ্ত করে তাকে Adef ডাকা হয়।

এই বাবা তার পরবর্তী সন্তানদের নামও বর্ণমালা দিয়েই রাখতে চেয়েছিলেন। যদিও পরে সেই চিন্তা থেকে সরে এসে প্রচলিত আম্মার ও আত্তার রাখেন। তবে তিনি পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলেন পরের দুইজনের নাম এনওপিকিউ আরএসটিইউভি এবং এক্সওয়াইজেড রাখতে।

ব্রিটিশ সোসাল মিডিয়া পাবলিশার ল্যাড বাইবেল বলছে, গ্রিমস-ইলন মাস্ক দম্পতির ছেলের নাম X Æ A-12 রাখার পর ইন্দোনেশিয়ার এই ছেলের নামই সবচেয়ে কঠিন। গ্রিমস পরে টুইটারে এই নামের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন এইভাবে- ‘X [represents] the unknown variable,’. ‘Æ is the the Elven spelling of Ai (love &/or Artificial intelligence). ‘A-12 = precursor to SR-17 (our favorite aircraft). No weapons, no defences, just speed. Great in battle, but non-violent. (A=Archangel, my favorite song).’

ক্যালিফোর্নিয়ার আইন অনুযায়ী, কেবলমাত্র ইংরেজির ২৬টি বর্ণ দিয়ে লেখা নামই অনুমোদিত। কিন্তু গ্রিমস-ইলন মাস্ক ওই নাম বেছে নেন। তবে তাদের সন্তানের নামের দ্বিতীয় বর্ণটি অনুমোদিত কিনা সেটা পরিষ্কার না

Leave a Reply