মাজহারুল ইসলাম বাদলঃ- ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ

হেফাজতের হরতালে সহিংসতাকারীদের ধরতে বিশেষ অভিযানে নেমেছে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ভিডিও ফুটেজকে সামনে রেখে এগুচ্ছে তারা। ইতোমধ্যে বিশেষ এ কৌশলে কিছুটা সাফল্যও পেয়েছে পুলিশ।

সহিংসতায় অংশ নেয়া ও উস্কানী দেয়ার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। তারা হলেন-রাসেদুজ্জামান মুন্না (২৫) ও মুফতী লোকমান হোসেন আমিনী (৩৮)। এদের মধ্যে মুন্না সরাসরি সহিংসতায় অংশ নেয়। মুফতী লোকমান হোসেন আমিনী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে হেফাজতের নেতাকর্মীদের উসকে দেয়।

প্রথমদিকে পুলিশ নমনীয় থাকলেও ক্রমেই কঠোর হচ্ছে। সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টের ঘটনার পরে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও ওসি বদলী করা হয়। ঘটনাস্থলে আসেন পুলিশের মহা-পরিদর্শক, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা ও সবশেষ শনিবার বিভাগীয় কমিশনার। এরা প্রত্যেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। এরপর থেকেই মূলত: পুলিশ হার্ডলাইনে যাচ্ছে।

এ ঘটনায় ইতিমধ্যে পুলিশ বাদি হয়ে দু’টি, যুবলীগ-ছাত্রলীগ ও স্থানীয় এক সাংবাদিক বাদি হয়ে চারটি সহ থানায় মোট ৬টি মামলা হয়েছে। দুটি মামলায় প্রধান আসামী করা হয় হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে। এ পর্যন্ত পুলিশ ৪১ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২৮ মার্চ নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড ও সিদ্ধিরগঞ্জে যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে তার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। আবার এসব সহিংসতার চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকেও পাওয়া যাচ্ছে। ইতোমধ্যে দুইজনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজনের ছবি দিয়ে তাদের ধরিয়ে দিতে বলা হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *